বিবিসির সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইংলিশ শায়ার্স এবং ওয়েলসে ইইউ থেকে থেকে বের হয়ে আসার পক্ষে বিপুল ভোট পড়েছে। লন্ডন, স্কটল্যান্ড এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ভোটাররা অবশ্য ‘রিমেইন’কেই সমর্থন জানিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনের মতো করে এ গণভোটে এলাকাগুলোর ভোট এককভাবে গণনা করা হচ্ছে না। গোটা দেশজুড়ে যত ভোট পড়েছে সবগুলোকে একসঙ্গে হিসেব করা হবে এবং যে পক্ষ বেশি ভোট পাবে সে পক্ষই গণভোটে জয়ী হবে। জনমত জরিপ বিশেষজ্ঞ জন কার্টিস বলেন, ভোট গণনার এ পর্যায়ে এসে ‘লিভ’ পক্ষেরই জয়ের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। তার হিসেব অনুযায়ী, জিততে হলে যেকোনও পক্ষকে অন্তত ১ কোটি ৬৮ লাখ ১৩ হাজার ভোট নিশ্চিত করতে হবে।
এ গণভোটের মাধ্যমে ব্রিটেনের ভোটাররা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তারা ইইউ-তে থাকতে চান কি না। ঐতিহাসিক এই গণভোটে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের পাশাপাশি স্পেন উপকূলের অদূরের ব্রিটিশ শাসিত ক্ষুদ্র ভূখণ্ড জিব্রাল্টারের অধিবাসীরাও তাদের রায় দিয়েছেন। সব মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৬৫ লাখ। গণভোটে মোট ৭০.০৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ভোট গণনার জন্য স্থানীয়ভাবে ৩৮২টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এ গণনা কেন্দ্রগুলো ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ও জিব্রাল্টারের ৩৮০টি স্থানীয় সরকারের সবগুলোকেই প্রতিনিধিত্ব করছে। ১১টি আঞ্চলিক ভোট গণনা কেন্দ্রে স্বতন্ত্র এলাকাগুলোর ফলাফল জমা করে সেখান থেকে চূড়ান্ত ফল হিসেব করা হবে। চিফ কাউন্টিং অফিসার পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন। তবে নির্বাচন কমিশনের ধারণা, যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালের দিকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা যাবে। সূত্র: বিবিসি, সিএনএন
/এফইউ/বিএ/