উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে তুর্কি যুদ্ধবিমানের গুলিতে একটি রুশ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন পুতিন। এ ঘটনায় তুরস্ক ক্ষমা না চাওয়ায় তুরস্কের উপর বাণিজ্যিক ও দেশটিতে প্যাকেজ ট্যুরের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাশিয়া। তবে চলতি সপ্তাহে ক্ষমা প্রার্থনা করে এরদোয়ানের পাঠানো একটি চিঠি ক্রেমলিন গ্রহণ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ায় একটি ডিক্রির মাধ্যমে প্যাকেজ ট্যুর ব্যবস্থাপনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে টেলিফোন করে রুশ নাগরিকদের তুরস্ক ভ্রমণের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। সে সময় পুতিন আরও জানিয়েছেন, তুরস্কে প্যাকেজ ট্যুর ব্যবস্থাপনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
টেলিফোন আলাপে পুতিন ইস্তনবুলের বন্দুক ও বোমা হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তবে তুর্কি গোয়েন্দারা এ ঘটনায় অন্য দুইজনের সঙ্গে একজন রুশ নাগরিকের জড়িত থাকার কথা বলছেন। এ নিয়ে এখনও রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। নতুন এই পরিস্থিতি দুই দেশের সম্পর্কে কোনও প্রভাব ফেলবে কিনা তাও জানা যায়নি। তবে পুতিনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এরদোয়ান গেল নভেম্বরের রুশ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত পাইলটের পরিবারের প্রতি ‘সমবেদনা’ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রুশদের অনেকের কাছে তুরস্ক একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞার ফলে তুরস্কের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়। সূত্র: বিবিসি
/বিএ/