মঙ্গলবার মরদেহবাহী বিমানটি অবতরণের পর সাদা কাপড়ে ঢাকা কফিনগুলো নামিয়ে আনা হয়। এর পর চার চাকাবিশিষ্ট কার্গো ট্রলিতে কফিনগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত রাবাব ফাতিমা এবং অন্য কর্মকর্তারা সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরে সাংবাদিকদের ফুমিও কিশিদা বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের জঘন্য কর্মকাণ্ড মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছে। আমি আবারও এ ঘটনায় গভীরভাবে বেদনাবোধ করছি এবং ধিক্কার জানাচ্ছি।’
মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া একইদিন অন্য একটি বিমানে করে গুলশান হামলায় আহত আরেক জাপানি নাগরিক তামাওকি ওয়াতানাবেও জাপান পৌঁছেছেন। ওই হামলায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। জাপানের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে স্ট্রেচারে করে টোকিওর একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। শনিবার সকালে রেস্টুরেন্টটিতে কমান্ডো অভিযান চালানো হয়। অভিযানের পর কয়েকজন বাংলাদেশি জিম্মির পাশাপাশি ১৭ জন বিদেশি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৭ জন জাপানি। নিহতরা বাংলাদেশে জাপান সরকারের একটির উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। নিহতদের বয়স ২৭ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। সূত্র: জাপান টাইমস, এপি
/এফইউ/