আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ৬৮ তলাবিশিষ্ট ওই ভবনটি ম্যানহাটনের মিডটাউন এলাকায় অবস্থিত। বুধবার বিকেলে হঠাৎ করেই দড়ি বেয়ে বহুতল ভবনটিতে বেয়ে উঠতে শুরু করেন ২০ বছর বয়সী ওই তরুণ। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে বিষয়টি পথচারীদের নজরে আসে। ঘটনার আকস্মিকতায় লোকজন হতভম্ভ হয়ে পড়েন। লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। দড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকা ওই ব্যক্তিকে থামাতে দফায় দফায় চেষ্টা চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে দড়ি বেয়ে উঠতে থাকা স্টিভকে থামাতে তার ওপরে ওঠার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ২১ তলা পর্যন্ত ওঠার পর ওই ফ্লোরের জানালা থেকে সব কাচ সরিয়ে ওই যুবককে পাকড়াও করে পুলিশ। পরে তাকে বেলেভ্যু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার দাবি করেছে, ট্রাম্প টাওয়ার বেয়ে এক তরুণের উপরে ওঠার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইমেইলে তাদের কাছে একটি ভিডিও পাঠানো হয়। ভিডিওতে দেখা গেছে এক তরুণ ব্যাখ্যা করছেন কেন তিনি ট্রাম্প টাওয়ারে ওঠার চেষ্টা করেছেন। ভিডিওটি ৯ আগস্ট পোস্ট করেছেন লেভেন থাম্পস নামের এক ইউটিউব ব্যবহারকারী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ ভিডিওটি ৫ হাজার ভিউজ হয়েছে। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি নিজেকে ‘স্বতন্ত্র গবেষক’ বলে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেছেন, ট্রাম্পের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমনটা করেছিলেন। ভিডিওর শেষে ওই তরুণকে ভিউয়ারদের ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে দেখা গেছে। তিনি বলছেন, ‘বের হয়ে আসুন এবং ট্রাম্পকে ভোট দিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ওই তরুণকে স্টিভ হিসেবে শনাক্ত করেছে। স্টিভ ভার্জিনিয়ার অধিবাসী বলেও জানিয়েছেন তারা। তবে ভিডিওতে দেখা যাওয়া ওই তরুণ আর ট্রাম্প টাওয়ারে উঠতে চাওয়া তরুণটি একই কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার
/এফইউ/বিএ/