বুধবার গোয়েন্দা প্রধান রবার্ট বয়েস সাংবাদিকদের বলেন, গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজন অস্কার মোরেলের মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো বিশ্লেষণ করে রহস্য উদঘাটনের কোনও নমুনা পাওয়া যায়নি। বয়েস বলেন, মোরেলের বন্ধু-বান্ধব ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তারা মোরেলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ব্যাপারে জানতে পেরে অবাক হয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) অস্কার মোরেলকে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে হাজির করা হলে তিনিও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা যাওয়ার বিষয়ে মোরেল বলেন,ওই হত্যাকাণ্ডের দিনই তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে তা হত্যাকাণ্ডের আগে। হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি সেখানে ছিলেন না বলে দাবি করেন।
আদালতে প্রসিকিউটর পিটার ম্যাককরম্যাক বলেন,‘অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের (ইমাম ও তার সহকারী) পেছন দিক থেকে মাথায় গুলি করে। তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়।’
উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের ওজোন পার্ক এলাকায় শনিবার (১৩ আগস্ট) মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর ইমাম মাওলানা আখঞ্জি (৫৫) ও তার সহকারী তারা উদ্দিন (৬৪)-কে প্রকাশ্য দিবালোকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে রবিবার রাতে অস্কার মোরেলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ জানায়, ইমাম ও তার সহকারীকে হত্যার দায়ে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোড়া খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মোরেলের বিরুদ্ধে হত্যা ও অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে দুটি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। সূত্র: এপি, ওয়াশিংটন টাইমস
/এফইউ/