চার বছর ধরে অবরুদ্ধ করে রাখার পর শুক্রবার থেকে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় দারায়া শহরটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবারই সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে অস্ত্র চুক্তি হয়। ওই চুক্তির আওতায় পুরো এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দারায়া উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর শুক্রবার সকালে সেখানে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ বহরটি পৌঁছায়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত একটি ত্রাণবহরই পৌঁছেছে। এলাকার বাসিন্দারা ত্রাণের অভাবে আছেন। তাদের কেউ কেউ অপুষ্টিতে ভুগছেন।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ছয়টি বাস দারায়া শহর ছেড়ে গেছে। ৮ হাজার বেসামরিক ও ৮শ বিদ্রোহীকে শহরটি ছাড়তে হবে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে সেখানে ২ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করত।
২০১২ সাল থেকে শুরু করে চার বছর ধরে এই শহরের অধিবাসীরা সরকারি বাহিনীর ব্যারেল বোমা, এবং অবিরাম বিমান হামলার পরও মাটি কামড়ে পড়ে ছিলেন। সরকারি বাহিনীর এসব হামলায় শহরটির বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
দারায়া ফাঁকা করার চুক্তিকে বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণ প্রেসিডেন্ট আসাদের একটি বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শহরটি ফাঁকা করার এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে সরকারবিরোধী দলগুলো। তাদের অভিযোগ, এর মধ্য দিয়ে দারায়ার মানুষ নয়, বরং গোটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি
/এফইউ/