পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম দিবস

গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতা৩০ আগস্ট (মঙ্গলবার) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে গুম দিবস। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সময়ে বিরোধী পক্ষকে দমন করতে বিভিন্ন ক্ষমতাসীন সরকার গুমের আশ্রয় নিয়ে থাকে। আর ওই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষদের স্মরণে এবং গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতনতা গড়ে তুলতে ২০১০ সালে দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। আর এর পরের বছর অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষ্যে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব সলিল শেঠি বলেন, ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার গুমের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে। এই দিনে বিশ্বব্যাপী আমাদের প্রতি লাখ লাখ মানুষের সমর্থন নৃশংস গুম করা বন্ধ করতে সরকারগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করবে।’
গুম একটি বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। লোকজনকে তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গ্রেফতার, আটক কিংবা অপহরণ করা এবং তাদের ব্যাপারে কোনও কিছু প্রকাশে সরকারের অস্বীকৃতিকে সাধারণত গুম বলা হয়ে থাকে। গুমকে সাধারণত সমাজে সন্ত্রাস ছড়ানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
গুমবিরোধী সচেতনতা
প্রতি বছর গুম দিবসে জাতিসংঘ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। গুম একটি অপরাধ এবং সংঘাতময় পরিস্থিতিতে গুমকে যেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা হয় সে ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। অনেক মানবাধিকারকর্মী গণমাধ্যমে কিংবা কোনও জনসমাবেশে অংশ নিয়ে এ ব্যাপারে নিজেদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।  কোনও মানুষের গুমের শিকার হওয়া এবং এর প্রেক্ষিতে তার পরিবারের ওপর যে প্রভাব পড়ে তার সব কিছু নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

সূত্র: জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি।

/এসএ/এফইউ/