ব্রিটিশ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে না থাকার পক্ষে রায় দেওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াতে প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডেভিড ক্যামেরন। ব্রেক্সিট ভোটে হেরে আড়াই মাস আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও ক্যামেরন সে সময় বলেছিলেন, আসন্ন সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত তিনি এমপি হিসেবে থাকছেন। তবে সোমবার নিজ নির্বাচনী এলাকায় নিজের এমপি পদ ছাড়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।
বেক্সি
বিবিসির মঙ্গলবারের খবরে বলা হয়েছে, ক্যামেরনের দাবি অনুযায়ী তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র জন্য ‘বিঘ্ন’ সৃষ্টি করতে চান না বলেই এমপি পদও ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থেরেসা মে'র পথকে মসৃণ করার কথা বলা হলেও দুই শীর্ষ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং গার্ডিয়ান বলছে, শিক্ষাখাতের এক প্রকল্প নিয়ে মে'র সিদ্ধান্তে সম্ভবত তিনি নাখোশ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রামার স্কুল নিয়ে যে ক্যামেরনের অবস্থান নেতিবাচক হলেও মে এ সংক্রান্ত চিন্তাভাবনা এগিয়ে নিয়েছেন। এতেই ক্যামেরন ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারেন।
২০০১ সাল থেকে উইটনি থেকে কনজারভেটিভ পার্টির এমপি নির্বাচিত হয়ে আসছেন ক্যামেরন। এর মধ্যে ২০০৫ সালে তিনি দলের প্রধান নির্বাচিত হন; প্রধানমন্ত্রী হন ২০১০ সালে।
ব্রিটিশ জনগণ ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দিলে ইইউতে থাকার সমর্থক ক্যামেরন পদত্যাগ করেন। এবার এমপির পদও ছাড়ার ঘোষণা দিলেন তিনি।
/বিএ/