বিএসএফ-এর ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল আরএস কাটারিয়া জানান মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে টোটা পোস্টের কাছে পাকিস্তানি নৌকাটিকে শনাক্ত করে জওয়ানরা। এরপর বিএসএফ-এর স্পিডবোট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং কাঠের নোঙ্গর ও নাইলনের দড়ি দিয়ে নৌকাটি বেঁধে ফেলে। রেকি অপারেশনের জন্য নৌকাটি ব্যবহার করা হচ্ছির কিনা সে ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সোমবার দুটি সন্দেহজনক পাকিস্তানি নৌকা করাচি বন্দর থেকে ভারতীয় উপকূলের দিকে যাত্রা করেছে দাবি করে ভারতের নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে সতর্ক করে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। নৌকাগুলো গুজরাট কিংবা মহরাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে খবরটি নিশ্চিত করে। তবে সেগুলো কী ধরনের নৌকা তা জানানো হয়নি।
সোমবার (৩ অক্টোবর) ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় গোয়েন্দারা প্রতিনিয়ত নৌকা দুটির অবস্থানস্থল সম্পর্কে জানাচ্ছেন। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, একটি নৌকায় প্রযক্তিগত ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি পাকিস্তানের পানিসীমাতেই অবস্থান করছে। আর আরেকটি নৌকা থেমে থাকা নৌকার আশেপাশেই অবস্থান করছে।
মঙ্গলবার আটক হওয়া নৌকাটি এ দুটি নৌকার একটি কিনা সে ব্যাপারে জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তানি জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কথিত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের’ পর থেকে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের’ বদলা নিতে পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতে হামলা চালাতে পারে। আর সে কারণে সীমান্ত ও উপকূলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সমুদ্র বা উপকূল বা বন্দর এলাকায় সন্দেহজনক কিছু দেখলেই যেন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় সে ব্যাপারে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এফইউ/