তিনি বলেন, ‘বোমা হামলা, বিচ্ছিন্নতা, ক্ষুধা এবং স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবা বঞ্চিত অসহায় অবস্থায় থাকা এসব মানুষ হয় আত্মসমর্পণ না হয় পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।’
এদিকে আলেপ্পো নগরীতে গত এক সপ্তাহে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৪৪ জন। সিরিয়ান অবজারভেটরি জানিয়েছে, অবরুদ্ধ এলাকাটিতে রাশিয়া ও সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর বিমান হামলার কারণে শত শত মানুষ আহত হয়েছে। এক সপ্তাহের অস্ত্রবিরতি শেষ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার থেকে আলেপ্পোর পূর্বাঞ্চলে নতুন করে হামলা শুরু হয়।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গত সপ্তাহে পূর্ব আলেপ্পোতে বিমান হামলার কারণে শহরটির সব প্রধান প্রধান হাসপাতাল অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, সিরিয়ায় ২০১১ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে আড়াই লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। সিরিয়ার চলমান সংকট নিয়ে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বিপরীতধর্মী। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণাকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছে এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আসাদ সরকারের দাবি, আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে যুক্তরাষ্ট্র মূলত বিদ্রোহীদের সহযোগিতা করতে সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালাচ্ছে। আর রাশিয়া বাশার আল আসাদকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। আসাদ সরকারের সমর্থনে রাশিয়াও আইএস ও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালাচ্ছে। সিরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র প্রক্সি যুদ্ধে মেতে ওঠেছে বলে অনেকে মনে করেন। সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস, বিবিসি।
/এমপি/