কর্তৃপক্ষ জানায়, খোর মাকসার অঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটির কাছে সেনা সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে বেতন সংগ্রহ করছিলেন। তখন সেখানে হামলা চালায় এক আত্মঘাতী। এ হামলায় আরও ৪০ জন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহর প্রতি অনুগত সেনা সদস্যদের সঙ্গে একজোট হয়ে সানাসহ দেশের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সংঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে ইয়েমেন। ২৬ মার্চ ২০১৫ থেকে ইয়েমেনে ‘অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম’ নামে সামরিক অভিযান পরিচালনা শুরু করে সৌদি আরব ও তার মিত্র দেশগুলো। দেশজুড়ে ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীদের উত্থানের মুখে দেশছাড়া হওয়া ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট আব্দ-রাব্বু মানসুর হাদির কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ বিমান অভিযান পরিচালনা করা হয়। এদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয এলাকাগুলোতে বিভিন্ন সময়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আল কায়েদা এবং আইএস।
ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলা শুরুর পর ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরহারা হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। ক্রমাগত লড়াই আর বিমান হামলার কারণে ইয়েমেনের অনেক বড় বড় এলাকার মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে পারছে না মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো। চিকিৎসা সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস এ পরিস্থিতিকে ‘চরম চ্যালেঞ্জিং’ বলে উল্লেখ করেছে।
/এফইউ/