এর আগে মোদি শেষবার ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছিলেন নভেম্বরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের জন্যে লড়াইয়ে যখন তিনি হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট পদের জন্যে নির্বাচিত হয়েছিলেন তখন তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি।
মঙ্গলবার আবারও তাদের মধ্যে ফোনালাপ হয়। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মোদিকে সত্যিকারের বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে দেখেন ট্রাম্প। অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশের অংশীদারত্ব শক্তিশালী করা নিয়ে মঙ্গলবার এ দুই নেতা আলোচনা করেছেন। বিশ্বে সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার ব্যাপারেও সম্মত হয়েছেন তারা।
নির্বাচনি প্রচারণার সময় ভারতের ব্যাপারে বেশ ইতিবাচক ভূমিকা দেখিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেসময় আমলাতান্ত্রিক সংস্কার ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিজনিত অর্জনের জন্য মোদির প্রশংসা করেছিলেন তিনি। তবে ট্রাম্প তার শপথ বক্তৃতায় ভারতের সঙ্গে মার্কিন বিদেশনীতির উন্নতি নিয়ে তেমন আশাব্যঞ্জক কিছু শোনাননি। বরং তিনি মার্কিনবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাদের থেকে হারিয়ে যাওয়া কাজের সুযোগ, আবারও তাদের ফিরিয়ে দেবেন। এর সঙ্গে তিনি সারা বিশ্বের সামনে ‘বাই আমেরিকান, হায়ার আমেরিকান’ নীতির স্বপক্ষে কথা বলেছেন যা মোটেই ভারতের জন্যে সুখবর নয়। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার পর ভারতের বৃহত্তর রফতানি শিল্প আইটি খাতে উদ্বেগের ছায়া
ট্রাম্পের ‘বাই আমেরিকান, হায়ার আমেরিকান’ ক্যাম্পেইনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো ভারতসহ বিদেশি কোম্পানিগুলোতে তাদের আইটি আউটসোর্সিং কমিয়ে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/এফইউ/