নেতানিয়াহু বলেন, ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা বলবেন।
এদিকে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান-এর সঙ্গে ট্রাম্পের টেলিফোন আলোচনায়ও প্রাধান্য পেয়েছে ইরান ইস্যু। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার ইরানি তৎপরতা নিয়ে আলোচনা করেন।
২০১৫ সালের জুলাইয়ে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দেশটির সঙ্গে ছয় পরাশক্তির পরমাণু সমঝোতা হয়। ওই চুক্তির ফলে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। তবে চুক্তির পরও ইরানের বিরুদ্ধে একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার অভিযোগ উঠেছে। তবে তেহরানের দাবি, তারা চুক্তি পুরোপুরি মেনে চলছে।
ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর ইরানের বিষয়ে বিশদ পর্যালোচনা শুরু করেছে হোয়াইট হাউস। তবে এ পর্যালোচনার ভিত্তিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই ক্ষেপণাস্ত্র গুঁড়িয়ে যায়। তবে ইরান কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া এবং জার্মানির প্রতিনিধিরা ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার জন্য ২০০৬ সাল থেকে দেশটির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন। ২০১৫ সালের ওই চুক্তির মধ্য দিয়ে এ আলোচনা পূর্ণতা পায়। চুক্তিতে ইরানকে পরমাণু কেন্দ্রের দুই-তৃতীয়াংশ সেন্ট্রিফিউজ অপসারণ করে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের তত্ত্বাবধানে মজুতের কথা বলা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান।
/এমপি/