উল্লেখ্য, রবিবার (২৯ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে ইয়েমেনে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে অন্তত ২৩জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয় বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বুধবার পেন্টাগনের পক্ষ থেকেও এ খবর আংশিক স্বীকার করে বলা হয়, অভিযানে বেসামরিকেরও মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। নিহতদের মধ্যে আরব উপদ্বীপভিত্তিক আল কায়েদা (একিউএপি) এর সাবেক নেতা আনওয়ার আল-আওলাকির ৮ বছর বয়সী মেয়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেভি সিলের কর্মকর্তা রায়ান ওয়েন্সও রয়েছেন। নিহত ২৩ বেসামরিকের মধ্যে অন্তত ১০টি শিশু বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা রিপ্রাইভ। এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যম আর গণমাধ্যমে সমালোচনাও চলছে।
এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ওই অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তৃতা দেওয়া হয়। এদিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার বলেন, ‘যখন প্রাণহানি হয় কিংবা লোকজন আহত হয় তখন কোনও কিছুকে পুরোপুরিভাবে সফল বলাটা কঠিন। কিন্তু আমি মনে করি, যখন আপনারা সব কিছু মিলিয়ে চিন্তা করবেন, দেখবেন ভবিষ্যত প্রাণহানি ঠেকাতে আমাদেরকে এ মূল্য দিতে হয়েছে....তখন সামগ্রিক অর্থে এটি একটি সফল অভিযান।’
এর আগে রবিবার নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ অভিযানকে ‘সফল’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেসময়, তিনি দাবি করেছিলেন, অভিযানে ১৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। অভিযানের পর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যেসকল উপকরণ জব্দ করেছেন তা ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবাদের কবল থেকে নিজস্ব নাগরিকদের রক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করবে বলেও দাবি করেন তিনি।
/এফইউ/