মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, নতুন করে সেনা পাঠানোর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন কমান্ডাররা আরও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন।
কুয়েতে সংরক্ষিত বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তটি পূর্ববর্তী ওবামা প্রশাসন থেকে ভিন্ন। ওবামা প্রশাসন অল্প সংখ্যক সেনা সদস্যের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণের নীতি অবলম্বন করে আসছিল। তবে এটা পরিষ্কার নয় যে, ওই সিদ্ধান্তে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন ম্যাটিসের সমর্থন রয়েছে কিনা।
মার্কিনপ্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জেফ ডেভিস ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুয়েত থেকে ওই সেনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সিরিয়া ও ইরাকে পাঠানো হবে। সিরিয়া ও ইরাকে আইএস-বিরোধী লড়াইয়ে ইতোমধ্যে দেশটির প্রায় ছয় হাজার সেনা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। তবে কুয়েতে পাঠানো সেনাদের কাজ কি হবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।
ওই কর্মকর্তারা আরও জানান, সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা মার্কিন সমর্থিত আরব ও কুর্দি বিদ্রোহীরা ইতোমধ্যে জঙ্গি সংগঠনটির কথিত রাজধানী রাক্কার বিভিন্ন সংযোগ পথ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। তবে আইএস-কে সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপ দরকার বলে তারা মনে করেন। ইরাকের মসুল থেকেও আইএস-কে বিতাড়িত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো একটি ছিল আইএস নির্মূল করা।
সূত্র: রয়টার্স।
/এসএ/বিএ/