বিমানের ভেতর থেকে ধারণ করা করা ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক তার আসন থেকে তুলে টেনে-হিঁচড়ে বভের করে দেওয়া হচ্ছে। রবিবার সন্ধ্যায় শিকাগো থেকে লুইসভিলেগামী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের এক ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে।
৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ফুটেজটি সামাজিকমাধ্যম টুইটারে প্রকাশের পর অন্তত ১৬ হাজার বার তা রিটুইট করা হয়।
ভিডিওটি টুইটারে পোস্ট করেছেন জেইসি ডি অ্যানসপাক। তিনি সেখানে লিখেছেন, ‘বিমানটি পূর্ণ ছিল। কিন্তু ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ জানায়, চারজন কর্মকর্তাকে পরদিন কাজে যোগ দিতে হবে, তাই আমাদের চারজনকে নিজেদের আসন ছেড়ে দিতে হবে। কেউ আসন ছাড়তে রাজি হয়নি। তাই তারা আমাদেরই বেছে নেয়। তারা এক এশীয় ডাক্তার ও তার স্ত্রীকেও বিমান থেকে নেমে যেতে বলে। ওই ডাক্তার জানায়, তাকে পরদিন হাসপাতালে যেতে হবে, তাই তিনি বিমান থেকে নামবেন না। এর দশ মিনিট পর ওই ডাক্তারের রক্তাক্ত চেহারা দেখা যায়।’
ভিডিওতে ওই ডাক্তারকে চিৎকার করতে শোনা যায়, ‘আমি বাড়ি যেতে চাই।’ ওই ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিকমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ও বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ। শিকাগোর বেসামরিক বিমান চলাচল দফতর জানিয়েছে, যে তিন নিরাপত্তা কর্মী ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এই বিবৃতিতে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী অস্কার মুনোজ জানান, ‘আমরা এই অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইছি। ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
/এসএ/বিএ/