২০০২ সালের ১৮ এপ্রিল ইসরায়েল থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিক লিনা আটক হন। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা মান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামি জিহাদি আন্দেলনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে লিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। ইসলামিক জিহাদের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেডকে সহযোগিতার অভিযোগও আনা হয় তার বিরুদ্ধে। কারাগারে থাকা অবস্থাতেই ফিলিস্তিনি নারীদের শিক্ষার অধিকারের জন্য সচেতনতার ডাক দিয়েছিলেন তিনি। হাশারন কারাগারে বন্দিদের সংকটপন্ন দশা নিয়েও সোচ্চার হয়েছিলেন লিনা। ২০১১ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে শালিত বন্দি বিনিময় চুক্তি হওয়ার পরও ইসরায়েলি নিরাপত্তা হেফাজতে ছিলেন লিনা। তার বাবা ও দাদা দুজনই ইসরায়েলে রাজবন্দি হিসেবে কারাভোগ করেছেন।
মুক্তির পর গাজাভিত্তিক রেডিও স্টেশন সাওত আল-আসরা (কারাবন্দিদের কণ্ঠস্বর)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-জারবোনি জানান, তার ‘আনন্দের সঙ্গে কষ্ট’ মিশে আছে। কারণ হিসেবে, ইসরায়েলি কারাগারে এখনও বন্দি থাকা হাজারো বন্দির কথা উল্লেখ করেন তিনি। সোমবার ফিলিস্তিনি কারাবন্দি দিবস থেকে শুরু হতে যাওয়া গণ অনশন কর্মসূচিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য সকল কারাবন্দির প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
/এফইউ/বিএ/