কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্টের সিনিয়র উপদেষ্টা হামিন হাওরামি। টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, কুর্দিস্তানের রাজধানী ইরবিলে স্থানীয় প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার এক বৈঠকে এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
কুর্দিস্তান ও ইরাক সরকার কর্তৃক পরিচালিত হলেও এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে কুর্দি সামরিক বাহিনীর হাতে। তবে সোয়াত ও তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ কিরকুক-এর মতো কিছু এলাকা নিয়ে বাগদাদ ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ সেপ্টেম্বরের গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষেই রায় দেবেন কুর্দিস্তানের মানুষ। তবে সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার প্রক্রিয়া কি হবে সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। এর আগে গত এপ্রিলে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি বলেছিলেন, তিনি স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের ব্যাপারে কুর্দিস্তানের মানুষের অধিকারকে সম্মান করেন। তবে তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের প্রতিনিধি বায়ান সামি আবদুল রাহমান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-কে তিনি বলেন, মূল সমস্যা হচ্ছে বাগদাদের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের অভাব। জনগণ যদি গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেন এবং তারা জোরালোভাবে সেটি চান, সেক্ষেত্রেও বাগদাদের সঙ্গে কুর্দিস্তানের সম্পর্ক থাকবে। এক্ষেত্রে দুই পক্ষই হবে পরস্পরের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।
ইরাকি কুর্দিস্তানের জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এরইমধ্যে স্বায়ত্ত্বশাসন ভোগ করা এ অঞ্চলের স্বতন্ত্র পার্লামেন্ট এবং সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। প্রতিবেশী দেশ তুরস্কের সঙ্গেও বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে তাদের। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা ইস্যুতে ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
/এমপি/