সামরিক পদক্ষেপ নিলে উ. কোরিয়ার দুর্দিন নেমে আসবে: ট্রাম্প

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষার জবাবে সামরিক পদক্ষেপ নিতে চান না। কারণ এই কাজ করলে উত্তর কোরিয়ার  ‘খুবই খারাপ দিন’ চলে আসবে। শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

b3828fba35b644b8a0b85755dcb1b6e9_18

প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কথা বলার কিছু নেই। তবে তার প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তারা বলেছিলেন কূটনৈতিক সমাধানে যেতে আগ্রহী তারা।

এখন আবার ট্রাম্প বলছেন, ‘আমি সামরিক পথ বেছে নিতে চাই না।’

তবে সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা একদমই উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে নিজের শক্ত অবস্থান অটল রেখেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা একদমই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এটা অবশ্যই আমাদের মাথায় আছে।

বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার মিত্র চীনও জানিয়েছে জাতিসংঘের আরও কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।  উত্তর কোরিয়া অবশ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের যেকোনও নিষেধাজ্ঞার কড়া জবাব দেবে তারা। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চাইছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ক্ষেপণাস্ত্রে বহনযোগ্য একটি হাউড্রোজেন বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে পিয়ং ইয়ং। দেশটির দাবি, এই হাইড্রোজেন বোমা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহারের উপযোগী। জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করেই উত্তর কোরিয়া একের পর এক পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছে, যেটি কিনা যুক্তরাষ্ট্রেও হামলা করতে সক্ষম বলে দাবি দেশটির।

পরীক্ষার ‘কঠোর সামরিক জবাব’ দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র কোনও দেশের প্রতি যেকোনও ধরনের হুমকি মোকাবিলায় সামরিক শক্তির কঠোর ব্যবহার করা হবে।’