পরে পার্লামেন্টের স্পিকার সালিম আল-জাবুরি বলেন, এ ভোটের মাধ্যমে সরকারকে একটা বার্তা দেওয়া হয়েছে। আর তা হচ্ছে, দেশের সংহতি ধরে রাখতে সরকারকে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। কুর্দি নেতাদের সঙ্গে আন্তরিক আলোচনা শুরু করতে হবে।
পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে এমপি আম্মার তোমা হঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অসাংবিধানিক গণভোট দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করবে যা দেশকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেবে।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ইরাকের কুর্দিস্তানে গণভোট অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। কিন্তু ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার এর বিরোধিতা করছে। এছাড়া তুরস্ক ও ইরানের মতো প্রভাবশালী আঞ্চলিক দেশগুলোও এর বিরোধিতা করছে।
গণভোট বাতিলে গত আগস্টে ইরাকি কুর্দিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্টমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। তিনি বলেছেন, আঙ্কারার প্রত্যাশা কুর্দিস্তানের প্রশাসন স্বাধীনতার প্রশ্নে যে গণভোটের আয়োজন করতে যাচ্ছে তা তারা বাতিল করবে। বাগদাদ সফরকালে ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-জাফারির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
গণভোট বিষয়ে আঙ্কারার চলমান অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের গণভোটের আয়োজন সম্পূর্ণ ভুল। তিন দশক ধরে তুরস্কের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে)। তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তুরস্ক। তবে ইরাকি কুর্দিস্তানের ওপর তুরস্কের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।