ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া এবং বিদেশি হুমকি থেকে দেশ রক্ষায় আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমরা জনগণের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করবো না। কুর্দিদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করছি না। ইরাকের ঐক্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
তুরস্ক ও ইরানের মতো প্রভাবশালী আঞ্চলিক দেশগুলোর চাপ উপেক্ষা করে ২৫ সেপ্টেম্বর কুর্দিস্তানের স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৯৩ শতাংশ মানুষ ইরাক থেকে কুর্দিস্তানের বিচ্ছিন্নতার পক্ষে রায় দেয়। ওই ফলাফল বাতিলের দাবি জানান হায়দার আল আবাদি। তার সরকারের পক্ষ থেকে কুর্দিস্তানের সীমান্ত ও আকাশসীমার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্য কেআরজি’র প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে কেআরজি’র প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি বলেছেন, এখনই তারা কুর্দিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চান না। বরং এই নির্বাচনের ফলাফল হবে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তি। তবে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে সংবিধান বিরোধী এবং অবৈধ। তাই গণভোটের ফলাফল কোনও আলোচনার ভিত্তি হতে পারে না। বরং পুরো কুর্দিস্তান অঞ্চলে সংবিধানের অধীনে কেন্দ্রীয় আইন চালু করা হবে।