ইসরায়েল দখলকৃত পশ্চিমতীরের কাসরা গ্রামে একত্রে জড়ো করা হচ্ছে ইহুদি সেটলারদের। তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে সেনাবাহিনীর সুরক্ষা। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার কাসরা গ্রামে জুম্মার নামাজ পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন স্থানীয় মুসলিমরা। কিন্তু এই স্থানটি দখলে রাখতে চায় ইসরায়েল। ধারণা করা হচ্ছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ মোকাবিলায় শক্ত অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল।
বুধবার ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দিলে ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা রাস্তায় নেমে আসেন। শুক্রবার থেকে নতুন ইন্তিফাদারও ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাস। ফিলিস্তিনিদের ঠেকাতে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কয়েকটি বাসে করে এনে জড়ো করা হয়েছে ইসরায়েলিদের। এসময় তাদের ভারী অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা দিয়েছে সেনাবাহিনী।
শহরের বাসিন্দারা জানান, ফিলিস্তিনিরা নেবুলাস শহরের চারপাশের মসজিদগুলো থেকে র্যালি করে কাসরা যাবে। এভাবে ইহুদি সেটলারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর পরিকল্পনা তাদের। আনাদুলুর এক ক্যামেরাম্যান জানান, ইহুদি সেটলাররা যেন শহরে ঢুকতে না পারে সেজন্য বিভিন্ন স্থানে কাসরার ফিলিস্তিনি বাসিন্দারা অবস্থান নিয়েছেন।
গতমাসেই এই কাসরায় ফিলিস্তিনি তরুণ ও ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্পের ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ-সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর। ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী তাদের দমনে বলপ্রয়োগ করলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে অন্তত ৩১ ফিলিস্তিনি আহত হন।