আবারও হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি সৌদি আরবের

 

 

আবারও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। হুথি বিদ্রোহী হামলা চালানোর কথা জানানোর পরই সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে এ কথা বলা হয়।

ফাইল ছবি

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেল আল একবারিয়ার খবরে বলা হয়, দেশটির দক্ষিণ সীমান্তের কাছে নাজরান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি চালানো হয়। তবে তা লক্ষ্যে আঘাত হানার আগেই প্রতিহত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এর আগে হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে টুইটারে হামলার কথা স্বীকার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাদের নিজস্ব পরিচালনায় থাকা ‘আল মাসিরাহ’ টেলিভিশন চ্যানেল। খবরে বলা হয়, ‘সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একটি স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সফলভা্বে ছোড়া হয়েছে।’ এতে বলা হয়, সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি একটি কাহার-২এম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।     

‘আল মাসিরাহ’র খবরে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই সৌদি জোট ইয়েমেনের সাদা’য় হুথিদের একটি ঘাঁটিতে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে আল জাজিরা এ খবর নিশ্চিত করতে পারেনি।

এর আগে গত নভেম্বর একই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষ তা ধ্বংস করে আকাশে। এরপর ডিসেম্বরের পর আবারও হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। তবে প্রতিবারই সৌদি আরব তা প্রতিহত করার দাবি জানিয়েছে।

 আঞ্চলিক আধিপত্য নিয়ে সুন্নি শাসিত সৌদি আরব ও শিয়া শাসিত ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে ইরান এবং দেশটির নির্বাসিত প্রেসিডেন্টের পক্ষে যুদ্ধ করছে সৌদি আরব।

২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানাসহ বেশ কিছু এলাকা দখল নেওয়ার পর থেকেই ইয়েমেনে যুদ্ধ চলছে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে আরব জোট দেশটির নির্বাসিত প্রেসিডেন্টের হাদির সমর্থনে অভিযান শুরু করার পর যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। জাতিসংঘের মতে এই লড়াইয়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বেসামরিক নাগরিক।