স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত নীতি-পরিকল্পনার সঙ্গে ঐকমত্য রয়েছে ৬২ শতাংশ মার্কিনির। তবে তিনি এইসব নীতি-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে তাদের একাংশের মনে। সামগ্রিকভাবে তার ভাষণকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে ৪৮ শতাংশ মার্কিনি। ট্রাম্পের ভাষণের পর পরিচালিত সিএনএন/এসএসআরএস জরিপে এইসব তথ্য উঠে আসে।
ভাষণে নিজের চলমান শাসনকালকে ‘আমেরিকান স্বপ্ন’ বাস্তবায়নের শ্রেষ্ঠ সময় বলে দাবি করেন ট্রাম্প। আর সেই 'আমেরিকান স্বপ্ন' বাস্তবায়নের পথে সন্ত্রাসবাদকে বাধা আখ্যা দিয়ে তিনি সীমান্তের বিভক্তিকে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন। অভিবাসনে এনেছেন কঠোরতা। ঘোষণা দিয়েছেন গুয়ানতানামো বে চালু রাখবেন।
ভাষণের পর ৬২ শতাংশ মার্কিনি বলেছেন, ট্রাম্পের এমন নীতিতে সঠিক পথেই এগিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। আর ২৫ শতাংশের ভাষ্য এটি দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করবে। তবে ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে যোগ্য কি না সেই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত ছিলেন অনেকে। ৪২ শতাংশ মনে করেন ট্রাম্প এ কাজের যোগ্য। আর ১৫ শতাংশ মনে করেন তারা কিছুটা আস্থা রাখতে চান। আর ট্রাম্পের যোগ্যতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে ৪৩ শতাংশ মার্কিনি।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জরিপে অংশ নেওয়া ৪৮ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থানে থাকলেও মধ্যবর্তী নির্বাচনে এর প্রভাব খুব কম হবে। এর আগে ২০০৬ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সময়ও ৪৮ শতাংশ মার্কিনি ইতিবাচক ছিল। প্রেসিডেন্ট ওবামারও এমনটা ছিল। কিন্তু তারা দুজনই মধ্যবর্তী নির্বাচনে হাউসে নিজেদের ক্ষমতা হারিয়েছেন।