ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। সোমবারের এই আলোচনায় জেরুজালেম ইস্যু নিয়ে তারা কথা বলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
ইতোমধ্যে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পৌঁছেছেন এরদোয়ান। পোপের সঙ্গে সিরিয়া, ইরাক ও শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দেওয়া নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি।
ভ্যাটিকান সিটি সবসময়ই দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করেন। ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যত রাজধানী দাবি করে আসছে। আর ইসরায়েলের ‘অখণ্ড জেরুজালেম’কে তাদের রাজধানী বিবেচনা করে।
গত ডিসেম্বরে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানান তিনি। এরপরই বিক্ষোভ শুরু হয়। সারাবিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠে। মার্কিন মিত্রসহ প্রায় সব দেশই এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানান। সেসময় ফোনে কথা বলেছেন, এরদোয়ান ও পোপ ফ্রান্সিসও।
ভ্যাটিকান যাওয়ার আগে এরদোয়ান দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেম ইস্যুর মাধ্যমে নিজেদের আলাদা করে ফেলেছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনি রাজধানী হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত। আমরা এটা নিয়েই কাজ করবো।’
তবে পোপের সঙ্গে এরদোয়ানের সম্পর্ক সবসময় উষ্ণ ছিল না। ২০১৫ সালে পোপ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ফ্রান্সিস বলেছিলেন ১৯১৫ সালে আর্মেনিয়ানদের ওপর গণহত্যা চালনো হয়। তবে তুরস্ক বরাবরই এই অভিযাগ অস্বীকার করে আসছে।