ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবাধিকার মানার প্রয়োজন নেই: ইসরায়েল

ফিলিস্তিনে ভূমি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত দ্য গ্রেট মার্চ ফর রিটার্ন এ মানবাধিকার আইন প্রয়োগ হবে না বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, ‘তারা এখন যুদ্ধাবস্থায় আছে।’ মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদভিত্তিক ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

20180401_2_29578691_32288148

১৯৭৬ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ মার্চ ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের দখলদারিত্বের প্রতিবাদে ‘ভূমি দিবস’ পালন করে আসছে। ওইদিন নিজেদের মাতৃভূমির দখল ঠেকাতে বিক্ষোভে নামলে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন। তাদের স্মরণে ওই বছর থেকেই ভূমি দিবস পালন করে আসছেন ফিলিস্তিনিরা।  এ বছর ওই দিনটি স্মরণে বিশাল বিক্ষোভের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে। বিক্ষোভকারীদের হটাতে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি ছুড়লেও তার মধ্যেই বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ আন্দোলনকে ‘সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দেয় ইসরায়েল। সহিংসতার জন্য গাজা এলাকা নিয়ন্ত্রণে নির্বাচিত সংগঠন হামাসকে দায়ী করে দেশটি। তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের সংগঠনটি।

প্রতিরোধ আন্দোলনে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দুই সাংবাদিকসহ প্রাণ হারিয়েছন বেশ কয়েকজন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ইসরায়েল মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এই প্রতিরোধ আন্দোলনে মানবাধিকার মানার প্রয়োজন নেই। ইসরায়েলের দাবি, হামাস বাহিনী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধর অংশ হিসেবে এটা করছে।