জেরুজালেমে বেদুইন গ্রাম ধ্বংস না করার আহ্বান ইতালির

জেরুজালেমে ইতালির অর্থায়নে পরিচালিত একটি বেদুইন স্কুল ধ্বংস না করতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানায়, ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপে দ্বি-রাষ্ট্র নীতি ও শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।

2016_4_11-Palestinian-women-inspect-the-rubble-of-her-home-after-israeli-forces-demolished-it-in-al-Khan-al-Ahma070416_HS_00-3আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ইসরায়েলের এমন বসতি স্থাপন অবৈধ। তারপরও আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে বসতি স্থাপন করেই যাচ্ছে তারা। ইসরায়েল ২০১৫ সালে ১ হাজার ৯৮২টি বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬২৯ এবং ২০১৭ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে ছয় হাজার। ২০১৭ সালে ইসরায়েল দুই হাজার পাঁচশ একর ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করেছে। এই সময়ে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের ৫০০ বাড়ি ভেঙে দিয়ে নতুন আটটি ইহুদি বসতি স্থাপন করেছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের সাম্প্রতিক পরিকল্পনাতে তারা উদ্বিগ্ন।

বেদুইন গ্রাম খান আল আহমার ও রাবার টায়ার স্কুলও ধ্বংস করতে পারে ইসরায়েল। স্কুলটিতে ১৬০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই স্কুল ভেঙে ফেললে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মানবিক কারণ ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইতালিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনরায় ইসরায়েলকে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানায়।’

পশ্চিম তীরে নতুন করে তিন হাজার বসতি স্থাপনের ইসরায়েলি পরিকল্পনার সমালোচনা করে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা একে আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করে।  

গত মাসে ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্ট খাল আল আহমার ধ্বংসের অনুমতি দেয়। ব্রিটিশ মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টার‌ন্যাশনালও এই রায়ের নিন্দা জানিয়েছে।