বাংলাদেশের প্রতি 'কৃতজ্ঞ' জাতিসংঘ মহাসচিব

এক টুইটার পোস্টে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তিনি। সফর শুরুর আগেও গুতেরেস বলেছিলেন, বাংলাদেশকে কৃতজ্ঞতা জানাতে আসছেন।
noname

২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হতে থাকে ধারাবাহিকভাবে। নিধনযজ্ঞের বলি হয়ে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় অন্তত সাত লাখ রোহিঙ্গা।  বাংলাদেশও নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থা ও জনবহুল বাস্তবতার কথা চিন্তা না করে বিপন্ন ওই জনগোষ্ঠীকে গ্রহণ করে আশ্রয় দেয়। ১ জুলাই মূলত রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখতেই ঢাকা সফরে এসেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তার সফরের আগেই জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, গুতেরেস ঢাকা সফরে এসে বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের ঔদার্যের প্রশংসা করবেন।

বাংলাদেশ সফররত গুতেরেস গতকাল রবিবার (১ জুলাই) তার অফিশিয়াল টুইটার একাউন্টে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রোহিঙ্গা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবথেকে বিপন্ন ও বৈষম্যের শিকার জনগোষ্ঠীগুলোর অন্যতম । মানবিকতা আর মানবাধিকার প্রশ্নের বিবেচনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট এক দুঃস্বপ্নের নাম। শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ায় ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদার ভূমিকায় আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ‘

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে এটাই অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রথম বাংলাদেশ সফর। এর আগে শরণার্থী সংস্থার প্রধান হিসেবে এই রোহিঙ্গাদের দেখতেই বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। সফরসূচির অংশ হিসেবে আজ (সোমবার) রোহিঙ্গা শিবিরে ভাগ্যদূর্গত শরণার্থীদের দেখতে যাবেন গুতেরেস। তহবিল দাতাদের সহায়তা বাড়াতে বিভিন্ন প্রতিনিধি ও ত্রাণকর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।