যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে বিশ্ব একসঙ্গে দেখতে চায়; মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের কাছে বিশ্বের ৯০ শতাংশ পরমাণু অস্ত্র থাকার কথা জানিয়ে ট্রাম্প এই বাস্তবতাকে নেতিবাচক আখ্যা দিয়েছেন। সোমবার ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে ‘দুর্দান্ত সম্পর্ক’র সম্ভাবনার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
বৈঠক শুরুর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সামরিক বাণিজ্য থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র, পরমাণু, চীন নিয়ে আলোচনা করতে পারি। আমাদের দুজনেরই বন্ধু চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নিয়েও কথা বলবো আমরা।
ইউক্রেনের ক্রিমিয়ায় রুশ আধিপত্য আর সবশেষ মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয় ওবামা প্রশাসনের সময়েই। ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গুঞ্জন থাকলেও ওবামার রুশ কূটনীতিক বহিষ্কারের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ী হওয়ার পর মার্কিন কূটনীতিকদের দেশ থেকে বহিষ্কার করে রাশিয়া। সেই দেশের শীর্ষ নেতা পুতিনের সঙ্গে বৈঠককে ঘিরে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টি ও ডেমোক্র্যাট উভয় শিবিরেরই তোপের মুখে পড়েছেন ট্রাম্প।
ঘরে বাইরে চাপের মুখেই পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের মধ্যে দারুণ একটা সম্পর্কের সূচনা হবে। আপনি নিশ্চয়ই শুনেও থাকবেন, আমি সবসময়ই বলে আসছি, রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব খারাপ কিছু নয়। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি বিশ্বও আমাদের একসঙ্গে দেখতে চায়।’
ট্রাম্প পুতিনের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা দুটি বড় পরমাণু শক্তিধর দেশ। বিশ্বের ৯০ শতাংশ পরমাণু অস্ত্র আমাদের কাছে। তবে এটা ভালো কিছু নয়, বরং নেতিবাচক। আমি মনে করি আমরা কিছু করতে পারবো। কারণ, আমরা শুভশক্তির বাহিনী, অশুভ শক্তির নয়। অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে এটা নিয়েও কথা বলবো আমরা।’