আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে চলা সহিংসতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ পরিবার ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। রবিবার থেকে রাজধানী ত্রিপোলিতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বি দলগুলোর সংঘর্ষ চলছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রায় একমাসের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১১৫ জন বেসামরিক প্রাণ হারিয়েছেন। আর শুধু শনিবার থেকে নিহতের সংখ্যা ১১ জন।
২০১১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায় লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর ত্রিপোলিতে জাতিসংঘের সমর্থনে একটি মনোনীত সরকার রয়েছে। ওই কর্তৃপক্ষকে জাতীয় চুক্তির সরকার বা জিএনএ নামে অভিহিত করা হয়। তবে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে রয়ে গেছে। এরপর চলতি মাসের শুরু দিকে লিবিয়ার সশস্ত্র প্রতিপক্ষরা শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানায় দেশটিতে অবস্থিত জাতিসংঘ মিশন।
তবে আগস্টের শেষ থেকেই রাজধানীতে সংঘর্ষ শুরু হয়। তারহুনা ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সেভেন্থ ব্রিগেড প্রথম হামলা চালায়। এছাড়া ত্রিপোলি বিপ্লবী বাহিনী ও নাওয়াজি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে সেভেন্থ ব্রিগেডের মিত্র বাহিনী।
তারহুনা ও মিসরাতার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে তাদের হাত থেকে রাজধানীকে উদ্ধার করতে চান তারা। আর ত্রিপোলি ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী জানাচ্ছে, যারা হামলা চালাচ্ছে তারা অপরাধী ও বহিরাগত।