এবিসি নিউজের সদর দফতরে পুলিশি অভিযান

সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সম্প্রচারমাধ্যম অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) প্রধান কার্যালয়ে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে সে দেশের পুলিশ। আফগানিস্তানে অবস্থানরত অস্ট্রেলীয় বাহিনীর অসদাচরণ নিয়ে ওই সম্প্রচারমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন প্রচারিত হচ্ছিলো।  বিবিসি জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনকে ঘিরে সংবাদ প্রযোজকসহ দুই সাংবাদিকের ওপর পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সেই সূত্রেই ওই সংবাদমাধ্যমের সদর দফতরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।  

এবিসি নিউজের সদর দফতরে পুলিশি অভিযান

২০১৭ সালে এবিসি ‘আফগান ফাইল’ নামে যে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছিল তার সূত্র ধরেই পুলিশ এবিসির সদর দফতরে অভিযান চালায়। ওই সম্প্রচারমাধ্যমের সাংবাদিকরা জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনগুলোতে আফগানিস্তানে অস্ট্রেলীয় বিশেষ বাহিনীর বেআইনী হত্যা ও অসদাচরণের অভিযোগ উন্মোচিত হয়েছিল।  অস্ট্রেলীয় পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে “গোপনীয় বিষয় প্রকাশের অভিযোগে এ তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০১৭ সালের ১১ জুলাই প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ও তখনকার ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিবের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এ তল্লাশি পরোয়ানা জারি হয়”।

বুধবার সকালে অভিযান শুরুর পর  থেকেই এ সংক্রান্ত একের পর এক টুইট করতে থাকেন এবিসির সাংবাদিকরা। তাদের কাছ থেকেই এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সব খবর মেলে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সাংবাদিকের পাশাপাশি সংবাদ পরিচালক গ্যাভেন মরিসকে তল্লাশির পরোয়ানা নিয়ে বুধবার সকালে পুলিশ নিউ সাউথ ওয়েলসের ওই কার্যালয়ে হাজির হয়।

গোপনীয় তথ্য ফাঁসের অভিযোগে নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়ার এক সাংবাদিকের বাড়ি তল্লাশির পরদিন এবিসি কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালিত হল। বিবৃতিতে পুলিশ এবিসি কার্যালয়ে তল্লাশির কথা স্বীকার করে। তবে তাদের দাবি অনুযায়ী কাউকে গ্রেফতারের পরিকল্পনা ছিল না। এ ঘটনার সঙ্গে মঙ্গলবার নিউজ কর্পের সাংবাদিকের বাড়িতে অভিযানের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেছে তারা।