সিরীয় সম্মেলনে পুতিন, রুহানিকে স্বাগত জানালেন এরদোয়ান

সিরিয়ায় চলমান সংঘাত নিয়ে আঙ্কারায় আলোচনায় বসেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন ইরান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। সম্মেলনের আগে পরস্পরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নেন তিন নেতা। সম্মেলন শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তাদের। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৭ সালের এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এই ধরনের সম্মেলনে মিলিত হচ্ছেন তিন নেতা।আঙ্কারায় সম্মেলন শুরুর আগে ইরান, তুরস্ক ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের কট্টর সমর্থক ইরান ও রাশিয়া। তবে তুরস্ক তাকে উৎখাত করতে চায়। আর সে লক্ষ্যে আসাদবিরোধী যোদ্ধাদের সহায়তা দিয়ে আসছে আঙ্কারা। তবে সিরিয়া সংঘাতে ক্রমেই আসাদের অবস্থান জোরালো হচ্ছে। ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এই সম্মেলনে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সর্বশেষ শক্ত অবস্থান ইদলিব নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মেলন শুরুর আগে এক টেলিভিশন বিবৃতিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোগান বলেন, ‘সিরিয়ার দীর্ঘ মেয়াদী রাজনৈতিক ঐক্য এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার লক্ষ্যে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে রয়েছি।’

কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির পরও রুশ বিমানের সহায়তায় সিরীয় বাহিনী ইদলিবের দিকে অগ্রসর হওয়া অব্যাহত রাখায় উদ্বেগ রয়েছে তুরস্কের। এক বছর আগে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি একটি নিরপেক্ষ এলাকা গঠন সংক্রান্ত চুক্তির আওতায় ওই অঞ্চলে ১২টি পর্যবেক্ষণ পোস্ট রয়েছে তুরস্কের। গত মাসে সিরীয় বাহিনী অগ্রসর হতে থাকলে এসব পর্যবেক্ষণ পোস্টের ওপর ক্রমেই হুমকি বাড়ছে।    
আঙ্কারায় সম্মেলনের শুরুতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, কোনও নিরপেক্ষ এলাকা অস্ত্রধারীদের উসকানির জায়গা হতে পারে না। ইদলিব এলাকা থেকে আসা সন্ত্রাসীদের হুমকি সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে আমার অবশ্যই সম্পূরক ব্যবস্থা নেব।