নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়ে তদন্তে ইউক্রেনকে চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জনমত জরিপে এগিয়ে আছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জো বাইডেন। ওবামার আমলে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা এ রাজনীতিককে নিয়ে দৃশ্যত এরইমধ্যে অস্বস্তি বেড়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, জো বাইডেন এবং তার পুত্রকে নিয়ে তদন্তের জন্য ইউক্রেনকে দফায় দফায় চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তদন্তকাজ পরিচালনা করছে প্রতিনিধি পরিষদের তিনটি কমিটি। সবকটি কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় সদস্যরা।
২০১৯ সালের ২৫ জুলাই ট্রাম্পের এক ফোন কলে এ নিয়ে ইউক্রেনের ওপর তার চাপ প্রয়োগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ওই ফোনালাপ ফাঁসের বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, এটি শুধু একজন বিদেশি নেতার সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপই নয়; বরং এর চাইতেও বেশি কিছু। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ার সূত্রটি তার পরিচয় প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ইউক্রেনের জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মাথায় ট্রাম্পের সঙ্গে তার এ ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনেও ইউক্রেনের নেতার সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

ট্রাম্পের দাবি, জো বাইডেন ইউক্রেনে তার ছেলের স্বার্থরক্ষায় কাজ করেছিলেন। তবে এখনও পর্যন্ত তার এ দাবির স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ মেলেনি। অবশ্য ২৫ জুলাইয়ের ফোন কলে ইউক্রেনের নেতা ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও তদন্ত সম্ভব।

এক বিবৃতিতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জো বাইডেন। একইসঙ্গে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থে হোয়াইট হাউসকে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।