ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানায়, বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য পররাষ্ট্র দপ্তরকে কর্তৃত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের।
হোয়াইট হাউজের জারি করা ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদদ, আমেরিকান নাগরিকদেরকে ইচ্ছাকৃতভাবে আটক করা, প্রতিবেশীদের হুমকি দেওয়া ও সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ইরানের সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা বাতিলের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, লেখাপড়া ও কাজের জন্য প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যতোক্ষণ প্রয়োজন মনে করবে ততোক্ষণ এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।’
এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, ইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের আত্মীয় ও ছেলেমেয়েদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিলের জন্য হোয়াইট হাউজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরানে বন্দি আমেরিকানদের পরিবারগুলো। এই আহ্বান জানানোর পর ট্রাম্প ওই পদক্ষেপ নিলেন।
বর্তমানে কমপক্ষে চার আমেরিকান ইরানের কারাগারে রয়েছেন। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, তাদের আটক রাখা 'বিধিবহির্ভূত ও ভিত্তিহীন'।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসজের ওয়েবসাইটে ওই বিষয়ে ঘোষণা প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে- ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের লোকজন অভিবাসী হিসেবে আমেরিকায় প্রবেশ করতে পারবেন না, আবার সাধারণ ভ্রমণের জন্যও যেতে পারবেন না।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটি। সর্বশেষ ট্রাম্প প্রশাসন ইরানি সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো।