বিয়ের সময় বর-কনের জায়গায় সন্তানহারা বাবা-মায়েরা ছেলে ও মেয়ের পুতুল ব্যবহার করেন। কিছুদিন আগেই এ রকম বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় উত্তর ভারতের উত্তরাখণ্ডে। রমেশ্বর ও বীণা দেবী দম্পতি তাদের মেয়ে পূজার বিয়ে দেন। বেঁচে থাকলে যার বয়স হতো ২০ বছর।দুই বছর বয়সে মারা যাওয়া পূজার ‘বিয়ে’ হয় যোগেন্দ্র নামক ছেলের সঙ্গে। যোগেন্দ্রের বাবা-মা পার্শ্ববর্তী মিরপুর মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। বিয়ের দিন বর পক্ষ থেকে বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের মোট ৩০জন কনের বাড়িতে আসেন। সেখানে নাচ-গান ও বিয়ের খাবারের আয়োজন করা হয়। হিন্দু শাস্ত্রমতে বর ও কনের মালা বদলের মধ্য দিয়ে বিয়ে হয়।
স্থানীয় এক সাংবাদিক জানান, ‘এই সম্প্রদায়ের লোকেরা ছেলে-মেয়ের বিয়ের দিনকেই জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন মনে করে। যাদের সন্তান অল্প বয়সেই মারা গেছে তারা মনে করে মৃত ছেলেমেয়েদের বিয়ে দেওয়াটা স্বাভাবিক। বর ও কনে পুতুল হলেও তারা বিয়ের সব আয়োজন সত্যিকারের মতোই করা হয়।’
মিরপুর মোহনপুরের পিতম্বর বলেন, ‘অপ্রাপ্ত বা কম বয়সে যদি নেতবাদী সম্প্রদায়ের কোনও শিশু মারা যায়, তাহলে আমাদের রীতি হচ্ছে, তাদের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিয়ে দেওয়া। এতে মনে করা হয়, তারা শান্তিতে থাকবে। অন্যথায় মৃতের পরিবার ভাবে তারা কষ্ট ও নানা সমস্যার মধ্যে দিন কাটাবে। সূত্র: ডেইলি মেইল।
/এএ/এমএনএইচ/