আইসিইর ওই প্রতিবেদনের বরাতে সিএনএন জানায়, সিরিয়ার সরকারি পাসপোর্ট প্রিন্টিং মেশিন এবং ফাঁকা পাসপোর্টগুলোতে প্রবেশাধিকার পেয়েছে আইএস। এতে সংগঠনটির সদস্যদের ভুয়া পরিচয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার শঙ্কা বেড়েছে।
নিজস্ব সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, আইএস’র কাছে সিরীয় নাগরিকদের জীবন বৃত্তান্ত ও আঙুলের ছাপসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। সে কারণে পরিচিতি চুরি করে তা অপব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবিসি নিউজ। ওই খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাছে আইএস সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সম্ভাব্যতার তথ্যগুলো জানায়।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্সির দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্যের বরাতে এবিসি নিউজের দাবি, গত ১৭ মাস ধরে সিরিয়ার রাকা এবং দেইর এল জউর শহরের নিয়ন্ত্রণে আছে আইএস। এটা হতে পারে যে আইএস নিয়ন্ত্রিত এই শহরগুলো থেকে পাসপোর্ট নিয়ে অথবা ফাঁকা পাসপোর্টগুলো ব্যবহার করে সিরিয়া থেকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেছে।
এ বিষয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জন কারবি শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, আইএসের যে পাসপোর্ট জালিয়াতির বিষয়ে দক্ষতা আছে সে বিষয়ে তাঁরা অবগত আছেন। বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। সূত্র: সিএনএন, রয়টার্স, এবিসি নিউজ
/বিএ/