ইরানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের আহ্বান

ইরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রব ম্যাককেরইকে আইনভঙ্গের অভিযোগ এনে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। বিভাগের মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি বলেন, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ইরানের আইন ভঙ্গ করেছেন এবং তাকে প্রত্যাহার করা উচিত। 

thumbs_b_c_2ad563a59d83c0d0886974380cb5a822

গত শনিবার রাষ্ট্রদূত ম্যাককেইরকে তেহরানের আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উষ্কানির অভিযোগ আনা হয়েছে। পরে অবশ্য তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মুক্তি পেয়ে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এক টু্ইটবার্তায় জানান, তিনি কোনও উষ্কানি দেননি। বরং নিহতদের সম্মান জানাতে গিয়েছিলেন সেখানে। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব। এছাড়া সেখানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকেও তলব করা হয়।

এখন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের কথা বলছে ইরান। গোলাম ইসমাইলি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তিনি এখন ‘অবাঞ্চিত ব্যক্তি (পার্সোনা নন গ্রাটা)’। ইরানি জনগণ তার প্রত্যাহার চায়।’ তার অভিযোগ রব ম্যাককেইরে ইরানি আইনকে সম্মান জানাননি।   

 কূটনীতিতে পার্সোনা নন গ্রাটা বলতে এমন বহির্দেশীয় ব্যক্তিকে বোঝায় যার নির্দিষ্ট কোন একটি রাষ্ট্রে অবস্থান ও প্রবেশ ঐ রাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইরান কূটনীতিকদের সম্মান জানায় দাবি করে ইসমাইলি বলেন, ভিয়েনা কনভেনশনের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কূটনৈতিক সুবিধা পাওয়া ব্যক্তিদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলতে হবে এবং তাদের অভ্যন্তরণীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে হবে।’

এদিকে শনিবার ম্যাককেইরে আটকের ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকারের এক  মুখপাত্র জানান, ‘রবিবার ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে আটক করা হয় যা একদমই অগ্রহণযোগ্য ও ভিয়েনা চুক্তির লঙ্ঘন। বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার।’