উল্লেখ্য, গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পপুলার পার্টি ও সোশ্যালিস্ট পার্টি পালাক্রমে স্পেনের সরকার পরিচালনা করে আসছে। তবে এবারের নির্বাচনী ফলাফল বলছে, ক্ষমতাকেন্দ্রে দুই-দলের আধিপত্যের দিন শেষ করে সে দেশে নতুন রাজনৈতিক শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে৷ ভোটাররা বাম ও উদারপন্থিদেরই দিকেই ঝুঁকেছেন এবারের নির্বাচনে৷ এই প্রথম রক্ষণশীল ও সমাজতান্ত্রিক দুই বড় দল প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি৷
ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল পপুলার পার্টি সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেও প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা থেকে অনেক দূরে রয়ে গেছে৷ নির্বাচনে পিপলস পার্টি ১২৩টি আসন পেয়েছে। বিপরীতে সোশ্যালিস্ট পার্টি পেয়েছে ৯০টি আসন। এবারের নির্বাচনে উত্থান হয়েছে নতুন দুই রাজনৈতিক দলের৷ বামপন্থি ‘পোদেমোস' পার্টি ৬৯টি আসন এবং উদারপন্থী সিউদাদানোস বা সিটিজেন পার্টি ৪০টি আসন পেয়েছে। তবে পপুলার পার্টির নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় বলেছেন, ‘আমি সরকার গঠনের চেষ্টা করব, একটি স্থিতিশীল সরকার।’
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্বাচনের এই ফলাফল নতুন সরকার গঠনের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠতে পারে৷ স্পেনের রাজনীতি জগতে কোনো পক্ষেরই এখনো জোট সরকারের কোনো অভিজ্ঞতা নেই৷ ফলে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ সূত্র: বিবিসি, ডয়চে ভেলে
/বিএ/
/আপ: আরএ/