পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীতে জীবাশ্ম জ্বালানির রাশ টানছে ইউনিলিভার

পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীতে জীবাশ্ম জ্বালানির রাশ টেনে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার। ২০৩০ সালের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধে এক বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার সংস্থাটির তরফে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়।

ইউনিলিভার জানিয়েছে, পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিকের কার্বন নিঃসরণ কমাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধে বিনিয়োগ করা এক বিলিয়ন ইউরো মূলত জৈব প্রযুক্তি উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণায় ব্যয় হবে।

পশ্চিমা বিশ্বের বাজারে থাকা ইউনিলিভারের কয়েকটি ক্লিনিং ব্র্যান্ড জানিয়েছে, পেট্রোকেমিক্যালের বদলে তারা উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জৈবিক উত্স, শেওলা এবং বর্জ্য পদার্থের মতো সামুদ্রিক উত্সগুলো থেকে তৈরি উপাদানগুলো ব্যবহার করবে।

প্রাথমিকভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এক পঞ্চমাংশ কমিয়ে আনা হবে। আর ২০৩৯ সাল নাগাদ নিজেদের উৎপাদিত সামগ্রীর মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

রয়টার্স জানিয়েছে, ইউনিলিভার প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে।

বিদ্যমান করোনা মহামারির ফলে ডাভ সাবান ও নর স্যুপের মতো ব্র্যান্ডের এই মূল কোম্পানিটির তৈরি বিভিন্ন পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে।

ইউনিলিভার হোম কেয়ারের প্রেসিডেন্ট পিটার টের কুলভ বলেন, লোকজন আরও সাশ্রয়ী টেকসই পণ্য চায় যা প্রচলিত পণ্যের মতোই মানসম্মত।

জলবায়ু পরিবর্তন, পানি এবং বনজ তিনটি বিভাগে পরিবেশবান্ধব ভূমিকার জন্য এ রেটিং পাওয়া ১৮২টি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম সাতটিতে নাম রয়েছে ইউনিলিভারের। সূত্র: রয়টার্স।