শনিবার দিবাগত রাতে সেনা পোশাক পরে পাঞ্জাবের পাঠানকোট এলাকার বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। সকালে চার হামলাকারীর মৃত্যু নিশ্চিত করার পর বন্দুকযুদ্ধ শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্যের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করা হয়। রবিবার সকালে পাঠানকোট বিমান ঘাঁটিতে নতুন করে গুলির শব্দ শোনা যায়। সন্দেহভাজন দুইজন এখনও ঘাঁটিতে লুকিয়ে আছেন এমন ধারণা থেকে আবারও অভিযান শুরু হয়। এদিন সন্দেহভাজন হামলাকারীদের আরেকজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।
রবিবার তল্লাশি চালানোর সময় গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে বিস্ফোরণে আহত হন নিরাপত্তা বাহিনীর আরও চার সদস্য। আহতদের মধ্যে ছিলেন এনএসজি-র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিরঞ্জন। পরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করে সেনা কর্তৃপক্ষ।
এদিকে শনিবারের বোমা হামলার বিষয়ে তদন্ত করতে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির আট সদস্যের এক দল রবিবার পাঠানকোট পৌঁছেছে।
ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষা ও অনুসন্ধানী অভিযানে সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডস, ভারতীয় বিমান বাহিনী, প্যারা-মিলিটারি ফোর্স ও পাঞ্জাব পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে জম্মু, অবন্তীপুর, শ্রীনগর এবং উধমপুরের বিমান ঘাঁটিগুলিতে। সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এফইউ/