মানবাধিকার কমিশন তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি পাটিয়ালা হাউস কোর্ট চত্বরে কানহাইয়া কুমারকে হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় আইনজীবীদের পোশাক পরা কয়েকজন ছিলেন। দিল্লি পুলিশের সামনেই কানহাইয়াকে হেনস্থা করা হয় উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা ঠেকানোর জন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুরো ঘটনাটাই সাজানো এবং পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেই দাবি কমিশনের।
ধারাবাহিক এসব সহিংস ঘটনায় কানহাইয়া ও তার পরিবারের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে বলেও উদ্বেগ জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। মেডিক্যাল রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কানহাইয়ার বাঁদিকের পায়ে দু-তিনটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ডান পায়ের আঙুলের চোট রয়েছে। গ্রেফতার ছাত্রনেতা অভিযোগ করেছিলেন, তাকে পাটিয়ালা হাউস কোর্টে নিয়ে যাওয়ার আগে তার ওপর চড়াও হয় আইনজীবী ও একদল বহিরাগত। আর পুরো ঘটনাটাই ঘটেছিল পুলিশের সামনে। তারপরই আদালত কক্ষে এবিষয় অভিযোগ জানালে, তার মেডিক্যাল পরীক্ষার নির্দেশ দেন বিচারক।
এদিকে আদালত প্রাঙ্গণে হামলার তদন্ত ও মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় আবারও দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দুদিন আগেই দিল্লির পুলিশ কমিশনার বি এস বাসি দাবি করেন, আদালত চত্বরে গণ্ডগোল হলেও, কানহাইয়াকে মারধর করা হয়নি। সূত্র: এনডিটিভি, এবিপি আনন্দ
/এফইউ/বিএ/