জাতীয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপ না করতে রাশিয়াকে সতর্ক করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কামাল কিলিকদারোগলু। আগামী ১৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট হবে।
রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতা কিলিকদারোগলু বৃহস্পতিবার তুর্কি ও রুশ ভাষায় লেখেন, ‘প্রিয় রুশ বন্ধুরা, অতীতে আমাদের দেশ ঘিরে যত ষড়যন্ত্র হয়েছে তার পেছনে আপনারা আছেন’।
তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি ১৫ মে’র পর আমাদের বন্ধুত্ব চান তবে তুর্কি রাষ্ট্রের ওপর থেকে হাত সরিয়ে নিন। আমি রাশিয়ার সঙ্গে এখনও সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বের পক্ষে’।
জনমত জরিপে কিলিকদারোগলু বর্তমান প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের চেয়ে এগিয়ে আছেন। ২০১৪ সাল থেকে দেশটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এরদোয়ান। তার আগে ১১ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এর আগে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন হোমল্যান্ড পার্টির প্রধান মুহাররেম ইনসে। বৃহস্পতিবার প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ইনসের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
তুর্কি মিডিয়ার মতে, ইনসে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দামি গাড়িতে চড়ার একটি ভিডিও অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেন।
গত মাসে তুরস্কের আসন্ন নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছিলেন, মস্কো কখনোই অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না।
রাশিয়ার গ্যাস ও অস্ত্রের অন্যতম ক্রেতা তুরস্ক। দেশটি রুশ পর্যটকদের কাছে একটি পছন্দের ছুটির জায়গা। ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি পারমাণবিকসহ বেশ কয়েকটি যৌথ প্রকল্প রয়েছে দেশ দুটির।
সূত্র: আরটি