ওয়াগনার বিদ্রোহের পর প্রথমবার জনসমক্ষে রুশ সেনাপ্রধান

রাশিয়ার চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভকে সোমবার প্রকাশিত একটি ভিডিওতে অধস্তনদের ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র সাইটগুলোকে ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে দেখা গেছে। গত ২৪ জুনের ব্যর্থ বিদ্রোহের পর জনসমক্ষে এটা তার প্রথম উপস্থিতি৷

ভিডিও-তে দেখা গেছে, একটি সামরিক কমান্ড রুমে সাদা চামড়ার সিটে বসে শীর্ষ এক জেনারেলের সঙ্গে বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন গেরাসিমভ। এ সময় রাশিয়ার শক্তিশালী সামরিক গোয়েন্দা পরিষেবাসহ (জিআরইউ) কয়েকজনকে ভিডিও কলে নির্দেশনা দিতে দেখা গেছে ৬৭ বছর বয়সী গেরাসিমভকে।

গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এক পর্যায়ে যুদ্ধের দায়িত্ব রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনারের হাতে তুলে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ওয়াগনাররা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আলোচিত বাখমুত শহরের দখল নেয়। পরে শহরের নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার নিয়মিত সেনাদের ওপর ছেড়ে শহর ত্যাগ করে তারা।

সবকিছু এভাবে ঠিকঠাক চলছিল। যদিও ওয়াগনার প্রধান প্রিগোজিনকে নানা সময়ে রুশ নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করতে দেখা গেছে। সব হিসাব পাল্টে যায় ২৪ জুন। এদিন রুশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসে ওয়াগনার যোদ্ধারা। তবে ২৪ ঘণ্টা না পেরুতেই অবস্থান থেকে সরে আসেন প্রিগোজিন। বেলারুশের প্রেসিডেন্টের মধ্যস্ততায় তারা রাশিয়া ছেড়ে সে দেশে অবস্থান নেয়।

প্রিগোজিন চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু এবং গেরাসিমভকে তাদের পদ থেকে বরখাস্ত করে। তবে প্রিগোজিনের দাবি মানেননি পুতিন। তারা আগের পদেই বহাল আছেন।

সূত্র: রয়টার্স