মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মার্ক টোনার বলেন, মার্কিন পর্যালোচনায় এ খবরের সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করা হবে এবং এ ব্যাপারে যথাযথ প্রতিক্রিয়া চাওয়া হবে।
নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ইরানের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন মার্ক টোনার। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি মোকাবিলায় আমরা একতরফা ব্যবস্থা নেবো।
২০১৫ সালের অক্টোবরে মধ্যম পাল্লার ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে ইরান। এর প্রেক্ষিতে দুই মাস আগে দেশটির কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কয়েকজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এবার পরপর দুদিন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল তেহরান।
নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে আইআরজিসির উপ-কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার কারণেই আজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।’
এদিকে ইরানের আঞ্চলিক মিত্র লেবাননের শিয়াপন্থী সংগঠন হিজবুল্লাহ বলেছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উন্নয়নকে বন্ধ করা যাবে না।
মঙ্গলবারের মহড়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে কথা বলেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)’র প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আলী জাফারি। তিনি বলেন, যারাই ইরানের সঙ্গে শত্রুতা করবে তারাই স্বাভাবিকভাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়ের মধ্যে পড়বে।
আইআরজিসি’র ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তুলে ধরার লক্ষ্যে এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইসলামি বিপ্লব, শাসনব্যবস্থা এবং সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কোনও হুমকির জবাব দিতে ইরানের ক্ষমতাও এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। সূত্র: গার্ডিয়ান।
/এমপি/বিএ/