ইসরায়েলে হামলা ‘আপাতত’ স্থগিত করলো ইরান

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা স্থগিত করেছে ইরান। আঞ্চলিক অস্থিরতার আরও বৃদ্ধি এড়াতে বুধবার (২ অক্টোবর) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে তেহরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেছে তেল আবিব ও ওয়াশিংটন। এতে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা না কমে উল্টো তীব্রতর হলো। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) করা এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকি জানিয়েছেন, ‘ইসরায়েল কোনও প্রতিহংসামূলক পদক্ষেপ না নিলে আমাদের আক্রমণের আপাতত এখানেই সমাপ্তি। কিন্তু যদি আবারও উসকানি দেওয়া হয়, আমাদের দিক থেকেও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’

মঙ্গলবারের হামলায় ইরান অন্তত ১শ’ ৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে ইসরায়েল দাবি করছে। দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি এই হামলার জন্য তেহরানকে ‘মারাত্মক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছে হোয়াইট হাউজ।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনার জন্য বুধবার একটি বৈঠক ডেকেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এদিকে, বুধবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে আবারও বোমাবর্ষণ শুরু করেছে ইসরায়েল। এই এলাকায় ইরান সমর্থিন লেবানিজ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ডজন খানেক বিমান হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। সবগুলো হামলা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে বলে দাবি ইসরায়েলের।

হামলার শিকার শহরতলির বিভিন্ন অংশ থেকে পুঞ্জীভূত কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। বেসামরিকদের এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য নতুন করে ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।