১৬ যুদ্ধবন্দি হত্যার অভিযোগের তদন্ত শুরু করলো ইউক্রেন

ইউক্রেনীয় ১৬ জন যুদ্ধবন্দিকে গুলি করে হত্যার একটি অভিযোগ রয়েছে রুশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। নিহত ব্যক্তিরা পূর্বাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্রে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) কিয়েভ বলেছে, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল আন্দ্রিই কোসতিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের জানামতে, ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি হত্যার সবচেয়ে বড় ঘটনা এটি। যুদ্ধবন্দিদের হত্যা ও নির্যাতন যে বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, এঘটনা তাই প্রমাণ করে। এগুলো রুশ সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরিকল্পিত নীতিমালার অংশ।’

অভিযোগের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি মস্কো। অবশ্য ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, হত্যার অভিযোগের তদন্তে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় একটি ড্রোন ভিডিও পাওয়া গেছে। ফুটেজে দেখা গেছে, দশ বা তার বেশি মানুষ একটি পরিখা থেকে বেরিয়ে আসছেন। এরপর তাদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হয়। তাদের গুলি করা হলে বন্দিরা একে একে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন। যদিও অস্ত্রধারীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রয়টার্স স্বাধীনভাবে এই ভিডিওর স্থানকাল যাচাই করতে পারেনি।

কোসতিন বলেছেন, রুশ সেনাবাহিনীর তীব্র আগ্রাসনের শিকার পোকরোভস্ক এই হত্যাকাণ্ডের স্থান।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে আগেও যুদ্ধবন্দি হত্যার অভিযোগ এনেছে ইউক্রেন। অন্তত ৭৩ ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দির মৃত্যুর তদন্ত করার কথা সেপ্টেম্বরে জানায় কিয়েভ। তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বাত্মক সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি যুদ্ধাপরাধ করেছে রাশিয়া।