উত্তর কোরিয়া শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ও শনিবার জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) সিগনালে ব্যাঘাত ঘটানোতে জাহাজ ও বেসরকারি বিমান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এই অভিযোগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। ওয়েস্ট সী এলাকায় চলাচলকারী জাহাজ ও বিমানকে উত্তর কোরিয়ার জিপিএস সিগন্যাল বিঘ্ন ঘটানোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস)। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
উত্তর কোরিয়াকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেছে জেসিএস। এ ধরনের কাজের জন্য পিয়ংইয়ংকে দায়ী করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেছে।
গত মে মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ কোরিয়াতে আবর্জনা ভর্তি বেলুন পাঠানো শুরু করে উত্তর কোরিয়া। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবার বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর প্রতিক্রিয়ায় পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে আবারও প্রোপাগান্ডামূলক বার্তা প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেয় সিউল।
বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আবর্জনা ভর্তি বেলুন পাঠানো, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও জিপিএস বিভ্রান্তি- উত্তর কোরিয়ার এসব কার্যকলাপে দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমার নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিমান চলাচলে জটিলতা দেখা দিচ্ছে।
মে মাসের ২৯ তারিখ থেকে জুন মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত সময়ে প্রায় ৫০০টি বিমান ও শত শত জাহাজ জিপিএস সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের বিমান চলাচল সংস্থার আইসিএও'র কাছে অভিযোগ করেছে সিউল। অভিযোগের প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়া সতর্ক করেছে সংস্থাটি।