দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) প্রথমবারের মতো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ। দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের সামরিক আইন প্রয়োগের উদ্যোগের কারণে এই সঙ্কটের শুরু হয়। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
প্রায় এক সপ্তাহ নীরবতার পর কেসিএনএ একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সামরিক আইন জারির চেষ্টা থেকে সৃষ্ট সংকটের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ায় সামাজিক অস্থিরতা বেড়েই চলেছে।
গত সপ্তাহে আকস্মিক সামরিক আইন জারির ঘোষণার ফলে এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ দক্ষিণ কোরিয়া সাংবিধানিক সংকটে নিমজ্জিত হয়। এতে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ওই প্রতিবেদনে বিশেষ কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এটি মূলত দক্ষিণ কোরীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো তুলে ধরেছে। বিশেষত সেইসব প্রতিবাদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ ইউনের অভিশংসনের দাবিতে অংশগ্রহণ করেছে।
কেসিএনএ বলেছে, পুতুল ইউন সুক-ইওল ইতোমধ্যেই শাসনকার্য পরিচালনায় সংকটে পড়েছেন। তিনি অভিশংসনের সম্মুখীনও হয়েছিলেন। আকস্মিকভাবে সামরিক আইন ঘোষণা করে জনগণের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী একনায়কত্বের অস্ত্র প্রয়োগ করেছেন তিনি।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইউনের উন্মত্ত কর্মকাণ্ড কয়েক দশক আগের সামরিক একনায়কতন্ত্রের অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বিরোধী দলসহ সব স্তরের মানুষের তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছেন। ফলে জনসাধারণের অভিশংসন দাবির আরও জোরালো হয়েছে।