গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে হামাসের হাতে আটক চার জিম্মির বিনিময়ে ২০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে পশ্চিম তীরে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) মুক্তিপ্রাপ্তদের অর্ধেকের বেশি ইসরায়েলি কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন আবার ইসরায়েলি নাগরিক হত্যায় অভিযুক্ত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কারাগারে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে এবং রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ওফের ও কাৎজিওত কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত প্রায় ৭০ বন্দিকে মিসরের মধ্য দিয়ে কাতার ও তুরস্কসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে পাঠানো হচ্ছে। ছোট একটি দলকে গাজায় পাঠানো হবে এবং বাকিরা পশ্চিম তীরে তাদের নিজ বাড়িতে ফেরার অনুমতি পেয়েছেন।
মুক্তিপ্রাপ্ত কিছু বন্দিকে বাস থেকে নামার পর উল্লসিত জনতা কাঁধে তুলে নেয়, উচ্ছ্বাসের সঙ্গে আতশবাজি ফাটানো হয়। এরপর তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের খুঁজে পেতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। পরে তাদের নিয়ে একটি খেলার মাঠে গিয়ে উদ্যাপন করতে থাকেন ফিলিস্তিনিরা।
মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে কনিষ্ঠতম ফিলিস্তিনির বয়স ১৬ বছর, আর জ্যেষ্ঠতম বন্দির বয়স ৬৯ বছর। একজন ৩৯ বছর ধরে ইসরায়েলি কারাগারে ছিলেন। মুক্তি পাওয়া ২০০ জনের মধ্যে ১২১ জনই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন।
১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর শনিবার দ্বিতীয় দফা বন্দি বিনিময় হলো। প্রথম দফায় তিন ইসরায়েলির বিনিময়ে ৯০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।