আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। নভেম্বরে ওপেক প্লাস নতুন করে তেল উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চল থেকে তুরস্কে রফতানি পুনরায় শুরু হওয়ায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনায় এই দরপতন হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ১ দশমিক ১৩ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৯ ডলারে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড ১ দশমিক ২২ ডলার বা ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৬৪ দশমিক ৫০ ডলারে।

ওপেক ও মিত্ররা আগামী রবিবারের বৈঠকে নভেম্বরে অন্তত দৈনিক ১ লাখ ৩৭ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে তিনটি সূত্র জানিয়েছে। তবে সংস্থাটি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনো দৈনিক প্রায় পাঁচ লাখ ব্যারেল কম উৎপাদন করছে, যা বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের আশঙ্কাকে খানিকটা দূরে রাখছে।

এদিকে ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দিস্তান অঞ্চল থেকে তুরস্কে পাইপলাইনের মাধ্যমে শনিবার প্রথমবারের মতো আড়াই বছর পর তেল রফতানি শুরু হয়েছে। ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাগদাদ সরকার, কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার এবং বিদেশি তেল কোম্পানির মধ্যে অন্তর্বর্তী চুক্তির ফলে প্রতিদিন এক লাখ ৮০ হাজার থেকে এক লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল তেল তুরস্কের জেইহান বন্দরে পৌঁছাতে পারবে। ধীরে ধীরে এ প্রবাহ বেড়ে দৈনিক দুই লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তেলের দামে এ পতন এসেছে এমন এক সময়ে যখন গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই উভয়ের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। এসইবি’র বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন, ইউক্রেন কৌশলগতভাবে রাশিয়ার রিফাইনারিগুলোতে আরও হামলা জোরদার করবে।